বিদ্যাপতি ও জয়দেব: বঙ্কিমচন্দ্র দ্বারা সমালোচনা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়বিবিধ সমালোচন১৮৭৬ বিদ্যাপতি ও জয়দেব সমালোচনা বাঙ্গালা সাহিত্যের আর যে দুঃখই থাকুক, উৎকৃষ্ট গীতি কাব্যের অভাব নাই। বরং অন্যান্য ভাষার অপেক্ষা বাঙ্গালায় এই জাতীয় […]

বাঙ্গালা ভাষায় নূতন গবেষণা: আচার্য্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়

আচার্য্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের প্রবন্ধ ও বক্তৃতাবলী ১৯২৭ বাঙ্গালা ভাষায় নূতন গবেষণা রাজসাহীর সাহিত্য-সম্মিলন সভায় (সভাপতির অভিভাষণ, বাঙ্গালা সন ১৩১৫) আমি বলিয়াছিলাম যে, “আমরা যতদিন স্বাধীনভাবে […]

ভগবত গীতা এবং ভাগবত পুরাণ বিমর্ষ

গীতায় ঈশ্বরতত্ত্ব, ভাগবতে লীলার মাধ্যমে ঈশ্বরপ্রাপ্তির জ্ঞানতত্ত্ব — ভক্তি, সত্য ও আত্মবিলয়ের সাহিত্যিক পর্যালোচনা। ভগবদ্‌গীতা ও ভাগবতপুরাণ এই উভয় গ্রন্থের মূলতত্ত্ব ও উদ্দেশ্যদ্বয় সমূহ বিচিত্রভাবে […]

মৌলিক অধিকার: সাধারণ বিধান (ভারতবর্ষের সংবিধান)

তৃতীয় ভাগ – মৌলিক অধিকার সাধারণ বিধান ১২. সংজ্ঞা।—এই ভাগে, প্রসঙ্গভেদে ভিন্নতর ব্যাখ্যার প্রয়োজন না হইলে, “রাষ্ট্র” বলিতে ভারতের সরকার ও সংসদ, প্রতিটি রাজ্যের সরকার […]

ভারতে নাগরিকত্ব: গণ-প্রজাতান্ত্রিক ভারতবর্ষের সংবিধান

দ্বিতীয় ভাগনাগরিকত্ব ৫. সংবিধানের প্রারম্ভে নাগরিকত্ব।— সংবিধানের প্রারম্ভে, যে কোন ব্যক্তি যাহার ভারতভূমিতে আবাস রহিয়াছে এবং—(ক) যিনি ভারতভূমিতে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন; অথবা(খ) যাঁহার পিতা বা মাতার […]

ভারতের সঙ্ঘ ও তাহার ভূখণ্ড: গণ-প্রজাতান্ত্রিক ভারতবর্ষের সংবিধান 

প্রস্তাবনা (Preamble) প্রথম ভাগ ভারতীয় সঙ্ঘ ও তাহার ভূখণ্ড ১. সঙ্ঘের নাম ও ভূখণ্ড।— (১) ইন্ডিয়া, অর্থাৎ ভারতবর্ষ, এক রাজ্যসমষ্টিগত সঙ্ঘ (Union of States) হইবে। [১](২) […]

গণ-প্রজাতান্ত্রিক ভারতবর্ষের সংবিধান (বাংলা অনুবাদসহ ব্যাখ্যা)

ভারতের সংবিধান হইতেছে ভারতীয় জাতির মৌলিক বিধি-বিধান। ইহা জনগণের স্বপ্ন ও আবেগ, আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ও প্রকাশ হইতে হইবে। সংবিধানের ভিত্তি হইবে সর্বজনসম্মত সম্মতি, […]

শূদ্রমুনি সরলা দাসের ওড়িয়া সরলা মহাভারত (১৪৩৬-১৪৬৬)

সরলা দাস ওড়িয়া ভাষার ‘আদিকবি’ হিসেবে সুপরিচিত। আদি পর্ব মহাভারতের সূচনায় তিনি পুরী জিলা জগন্নাথদেবকে লক্ষ্য করে এক দীর্ঘ ও ভক্তিসংলগ্ন স্তব পাঠ করেন, যেখান থেকে স্পষ্টভাবে জানা যায় যে, তিনি গজপতি রাজা কপিলেশ্বরের (অর্থাৎ কপিলেন্দ্র দেব; রাজত্বকাল ১৪৩৩ খ্রি.–১৪৬৭ খ্রি.) শাসনামলে মহাভারতের অনুবাদকর্ম শুরু করেন।

জগন্নাথ দাসের ওড়িয়া ভাগবত: বাংলা-ওড়িয়ার সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের প্রতীক (১৪৯০-১৫৫০)

অতিবাদী জগন্নাথ দাস (১৪৯১–১৫৫০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভক্তকবি ও ভাগবততাত্ত্বিক, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর (১৪৮৬-১৫৭৪) শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীচৈতন্য তাঁর অনুপম ভগবৎভক্তি ও শ্রীকৃষ্ণতত্ত্ব-সংক্রান্ত গভীর জ্ঞান […]

আউ এণিকিরে মন: ওড়িয়া কবি জগন্নাথ দাস (১৪৯০-১৫৫০)

এই কবিতা মূলত এক ভক্তিমূলক-আধ্যাত্মিক উদ্বোধন। জগন্নাথ দাস বলছেন—মনকে ঘোরা বন্ধ করতে হবে। সময় চলে যাচ্ছে, ইন্দ্রিয়সুখ ক্ষণস্থায়ী, জগতের হাট একদিন শেষ হবে, তখন শুধুই […]

সাহিত্য সম্রাট জার্নাল