এই কবিতা মূলত এক ভক্তিমূলক-আধ্যাত্মিক উদ্বোধন। জগন্নাথ দাস বলছেন—মনকে ঘোরা বন্ধ করতে হবে। সময় চলে যাচ্ছে, ইন্দ্রিয়সুখ ক্ষণস্থায়ী, জগতের হাট একদিন শেষ হবে, তখন শুধুই থাকবে তোমার নিজের আত্মা ও ঈশ্বরস্মরণ।
ଆଉ ଏଣିକିରେ ମନ
আউ এণিকিরে মন ভুলু কাহিঁকি?
উড়ুচ্ছি কাল ছঞ্ছাণ মনে নাহিঁকি । ঘোষা ।
অইরি তো কণ পণা ছেদিপকা বেনি ডেণা
শূন্যরে বাজুচ্ছে বীণী শুণা নাহিঁকি । ১ ।
হাটরে পাঁচ পাইক হেউছন্তি ডাকহাক
হাট সরিলে বনিক আউ ঠাই কি । ২ ।
সুনা পঞ্জুরীরে শুআ দিনা কেতে নূআ নূআ
উড়িগলে শারী শুআধরা পাই কি । ৩ ।
ভ্ৰুলতা মধ্যরে অনা ত্রিকুটে উড়ুচ্ছে বানা
হজিলে পরম সুনা আউ পাইকি । ৪ ।
ও কার মধ্যরে দেখ ওলটি রহিছে হংস
কহে জগন্নাথ দাস অনুসরি কি । ৫ ।
Read more:
নমস্তে প্রভু জগন্নাথ: ওড়িয়া কবি জগন্নাথ দাস (১৪৯০-১৫৫০)
