ভারতের সংবিধান হইতেছে ভারতীয় জাতির মৌলিক বিধি-বিধান। ইহা জনগণের স্বপ্ন ও আবেগ, আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ও প্রকাশ হইতে হইবে। সংবিধানের ভিত্তি হইবে সর্বজনসম্মত সম্মতি, […]
Archives
শূদ্রমুনি সরলা দাসের ওড়িয়া সরলা মহাভারত (১৪৩৬-১৪৬৬)
সরলা দাস ওড়িয়া ভাষার ‘আদিকবি’ হিসেবে সুপরিচিত। আদি পর্ব মহাভারতের সূচনায় তিনি পুরী জিলা জগন্নাথদেবকে লক্ষ্য করে এক দীর্ঘ ও ভক্তিসংলগ্ন স্তব পাঠ করেন, যেখান থেকে স্পষ্টভাবে জানা যায় যে, তিনি গজপতি রাজা কপিলেশ্বরের (অর্থাৎ কপিলেন্দ্র দেব; রাজত্বকাল ১৪৩৩ খ্রি.–১৪৬৭ খ্রি.) শাসনামলে মহাভারতের অনুবাদকর্ম শুরু করেন।
জগন্নাথ দাসের ওড়িয়া ভাগবত: বাংলা-ওড়িয়ার সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের প্রতীক (১৪৯০-১৫৫০)
অতিবাদী জগন্নাথ দাস (১৪৯১–১৫৫০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভক্তকবি ও ভাগবততাত্ত্বিক, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর (১৪৮৬-১৫৭৪) শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীচৈতন্য তাঁর অনুপম ভগবৎভক্তি ও শ্রীকৃষ্ণতত্ত্ব-সংক্রান্ত গভীর জ্ঞান […]
আউ এণিকিরে মন: ওড়িয়া কবি জগন্নাথ দাস (১৪৯০-১৫৫০)
এই কবিতা মূলত এক ভক্তিমূলক-আধ্যাত্মিক উদ্বোধন। জগন্নাথ দাস বলছেন—মনকে ঘোরা বন্ধ করতে হবে। সময় চলে যাচ্ছে, ইন্দ্রিয়সুখ ক্ষণস্থায়ী, জগতের হাট একদিন শেষ হবে, তখন শুধুই […]
নমস্তে প্রভু জগন্নাথ: ওড়িয়া কবি জগন্নাথ দাস (১৪৯০-১৫৫০)
অতিবাদী জগন্নাথ দাস (১৪৯১–১৫৫০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভক্তকবি ও ভাগবততাত্ত্বিক, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীচৈতন্য তাঁর অনুপম ভগবৎভক্তি ও শ্রীকৃষ্ণতত্ত্ব-সংক্রান্ত গভীর জ্ঞান দেখে […]
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবী চৌধুরাণীর উপন্যাসের সময়ের পরিচিতি
দেবী চৌধুরাণী: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এক অনন্য সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ইংরেজি ১৮৮৪ সনে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবী চৌধুরাণী’ (১৮৮৪ সনের প্রথম প্রকাশিত) একটি যুগান্তকারী উপন্যাস […]
জীবনের হিসাব নিকাশ: বিপিন চন্দ্র পাল (1913)
আমার লেখাতে ও বলাতে সর্ব্বদাই আমি নিজেকে শিষ্যরূপে দেখিয়াছি। গুরু যে কে, তাহা ভাল করিয়া ধরিতে পারি নাই। তবে ইহা অসংখ্যবার উপলব্ধি করিয়াছি যে কে যেন অন্তরঙ্গ হইতে, আমার লেখনী বা রসনাকে অবলম্বন করিয়া আমাকে অনেক অদ্ভূত সত্য শিক্ষা দিতেছেন।
নিজের কথা: বিপিন চন্দ্র পাল (1913)
কর্ম্ম পুরুষকে বাঁধিতে চাহে, পুরুষ কর্ম্মকে রোধিতে চাহেন; —ইহাই তো, তাহা হইলে, সংসারের মর্ম্ম হয়। আর জীবন যদি এই নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামেরই নামান্তর হয়, তবে সংগ্রামের জয়-পরাজয়ে দুঃখ, বেদনা ও অনুশোচনার অবসর থাকে বটে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অনুতাপের অবসর কোথায়?
বাঙ্গালা ভাষা: নরেন্দ্র নাথ দত্ত (বিবেকানন্দ) 1900
কল্কেতার ভাষাই অল্প দিনে সমস্ত বাঙ্গলা দেশের ভাষা হয়ে যাবে, তখন যদি পুস্তকের ভাষা এবং ঘরে কথা কওয়া ভাষা এক ক’র্তে হয়, ত বুদ্ধিমান অবশ্যই কলকেতার ভাষাকে ভিত্তিস্বরূপ গ্রহণ ক’র্বেন। এথায় গ্রাম্য ঈর্ষ্যাটিকেও জলে ভাসান দিতে হবে। সমস্ত দেশের যাতে কল্যাণ, সেথা তোমার জেলা বা গ্রামের প্রাধান্যটি ভুলে যেতে হবে।
পল্লীগ্রামস্থ চৌকীদার নিয়মের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষীয় সভার আবেদন (1851)
পল্লীগ্রামস্থ চৌকীদার বিষয়ক প্রস্তাবিত রাজ নিয়মের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষীয় সভার আবেদন: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহামহিম শ্রীযুক্ত ভারতবর্ষের কৌন্সেলের সভাপতি মহাশ সমীপেষু ভারতবর্ষীয় সভার আবেদন ১। বহু সম্মান […]
