নমস্তে প্রভু জগন্নাথ: ওড়িয়া কবি জগন্নাথ দাস (১৪৯০-১৫৫০)

অতিবাদী জগন্নাথ দাস (১৪৯১–১৫৫০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভক্তকবি ও ভাগবততাত্ত্বিক, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীচৈতন্য তাঁর অনুপম ভগবৎভক্তি ও শ্রীকৃষ্ণতত্ত্ব-সংক্রান্ত গভীর জ্ঞান দেখে […]

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবী চৌধুরাণীর উপন্যাসের সময়ের পরিচিতি

দেবী চৌধুরাণী: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এক অনন্য সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ইংরেজি ১৮৮৪ সনে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবী চৌধুরাণী’ (১৮৮৪ সনের প্রথম প্রকাশিত) একটি যুগান্তকারী উপন্যাস […]

জীবনের হিসাব নিকাশ: বিপিন চন্দ্র পাল (1913)

আমার লেখাতে ও বলাতে সর্ব্বদাই আমি নিজেকে শিষ্যরূপে দেখিয়াছি। গুরু যে কে, তাহা ভাল করিয়া ধরিতে পারি নাই। তবে ইহা অসংখ্যবার উপলব্ধি করিয়াছি যে কে যেন অন্তরঙ্গ হইতে, আমার লেখনী বা রসনাকে অবলম্বন করিয়া আমাকে অনেক অদ্ভূত সত্য শিক্ষা দিতেছেন।

নিজের কথা: বিপিন চন্দ্র পাল (1913)

কর্ম্ম পুরুষকে বাঁধিতে চাহে, পুরুষ কর্ম্মকে রোধিতে চাহেন; —ইহাই তো, তাহা হইলে, সংসারের মর্ম্ম হয়। আর জীবন যদি এই নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামেরই নামান্তর হয়, তবে সংগ্রামের জয়-পরাজয়ে দুঃখ, বেদনা ও অনুশোচনার অবসর থাকে বটে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অনুতাপের অবসর কোথায়?

বাঙ্গালা ভাষা: নরেন্দ্র নাথ দত্ত (বিবেকানন্দ) 1900

কল্‌কেতার ভাষাই অল্প দিনে সমস্ত বাঙ্গলা দেশের ভাষা হয়ে যাবে, তখন যদি পুস্তকের ভাষা এবং ঘরে কথা কওয়া ভাষা এক ক’র্‌তে হয়, ত বুদ্ধিমান অবশ্যই কলকেতার ভাষাকে ভিত্তিস্বরূপ গ্রহণ ক’র্‌বেন। এথায় গ্রাম্য ঈর্ষ্যাটিকেও জলে ভাসান দিতে হবে। সমস্ত দেশের যাতে কল্যাণ, সেথা তোমার জেলা বা গ্রামের প্রাধান্যটি ভুলে যেতে হবে।

পল্লীগ্রামস্থ চৌকীদার নিয়মের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষীয় সভার আবেদন (1851)

পল্লীগ্রামস্থ চৌকীদার বিষয়ক প্রস্তাবিত রাজ নিয়মের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষীয় সভার আবেদন: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহামহিম শ্রীযুক্ত ভারতবর্ষের কৌন্সেলের সভাপতি মহাশ সমীপেষু ভারতবর্ষীয় সভার আবেদন ১। বহু সম্মান […]

সংস্কৃত বর্ণমালা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা বর্ণমালা ১। অ ই উ, ক খ গ ইত্যাদি এক একটীকে বর্ণ ও অক্ষর বলে। বর্ণ সমুদায়ে পঞ্চাশটী। তন্মধ্যে ষোলটী স্বর, চৌত্রিশটী […]

সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (1851)

সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা (1851) কলিকাতাস্থ গবর্ণমেণ্ট সংস্কৃত কালেজের নিমিত্ত উক্ত বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শ্রীযুত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক বাঙ্গালা ভাষায় প্রণীত, কলিকাতা, সংস্কৃত যন্ত্রে মুদ্রিত কলিকাতাস্থ গবর্ণমেণ্ট […]

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে জওহরলাল দ্বিতীয় শ্রেণীর অনার্‌স গ্র্যাজুয়েট হলেন

ক্যামব্রিজে ভারতীয় ছাত্রদের এক ক্লাব ছিল। তাহার নাম মজলিস। এই মজলিসের অধিবেশনে ভারতীয় ছাত্রেরা প্রাণ খুলিয়া দেশের কথা আলোচনা করিত, বক্তৃতা দিত। অনেক সময় তাহারা এমন সব গরম গরম বক্তৃতা করিত যে, তাহা শুনিলে মনে হইত, তাহারা যেন বিপ্লবী হইয়াই জন্মগ্রহণ করিয়াছে।

জওহরলাল থিওসফিক সোসাইটীর দীক্ষা নিলেন

নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়জওহরলাল১৯৪৮ তিন জওহরলালের যখন এগারো বৎসর বয়স, সেই সময় পণ্ডিত মতিলাল তাহার শিক্ষার জন্য ফার্ডিনান্স টি-ব্রুক্‌স নামে একজন পণ্ডিত আইরিশম্যানকে গৃহশিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করেন। […]

সাহিত্য সম্রাট জার্নাল