রাজবন্দীর জবানবন্দি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা লেখাটি হল ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪-এ ধারার রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের বিচারে ফৌজদারি কার্যবিধির (পুরাতন) ৩১৩ ধারার অধীনে আলিপুর দায়রা জজের সামনে […]
Archives
হরচন্দ্র ঘোষ: ম্যাজিস্ট্রেট কলকাতা পুলিশ কোর্ট এবং জজ স্মল কজ কোর্ট (১৮৫৪)
Date: 25th March 2025 কলকাতা পুলিশ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্মল কজ কোর্টের বিচারক শ্রী হরচন্দ্র ঘোষ ২৪ পরগণা জেলার বেহালার তালুকদার বিখ্যাত সীতারাম ঘোষের পৌত্র […]
শুদ্ধোদন সেনের কলমে কলকাতা চিত্র (1881)
মুঘল যুগের শেষ দিকে বিদেশী নীতিহীন বণিক-সংস্থাগুলির কৃপাপুষ্ট একশ্রেণির নব্যধনিকের (এবং অভিজাতের) উদ্ভব হয়েছিল । বাংলায়, বিশেষত কলকাতায়, এঁরা মত্ত ছিলেন বাঈনাচ, বুলবুলি ও ঘুড়ির লড়াই, আখড়াই-হাফ, আখড়াই-ফুল, আখড়াই দোল-দূর্গোৎসব নিয়ে মাত্রাহীন আড়ম্বরে এবং তরল- বিলাসিতার ব্যয়বহুল, লক্ষ্যহীন, আদর্শহীন প্রতিযোগিতায় ।
কৃষ্ণনগরের সামাজিক ইতিহাস এবং রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভূমিকা
কৃষ্ণনগরের উৎপত্তি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে কৃষ্ণনগর ছিল দক্ষিণবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক শহর, যা দীর্ঘকাল ধরে বাংলার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। […]
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর কৃত রসমঞ্জরী (১৭৫০ খ্রিস্টাব্দ)
ভারতচন্দ্রের রসমঞ্জরী কোনোভাবেই ভানুদত্তের উচ্চমানের অলঙ্কারবহুল সংস্কৃত কাব্যের যথাযথ প্রতিফলন নয়। বরং, তিনি এটি রাজসভায় পাঠের উপযোগী করে বাংলায় রচনা করেন, যা ভানুদত্তের মূল ভাবের গভীরতাকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
কবিতায় অলংকার: শোভা, সত্য ও সৌন্দর্যের সন্ধান
আলোকিত ভাষার অলংকরণ এবং তার ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাপট কবিতায় অলংকার: রস, রীতি ও শাশ্বত সৌন্দর্যের সংলাপ কবিতায় অলংকারের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বৈদিক সভ্যতা থেকে শুরু করে গীতগোবিন্দের যুগ, […]
কাব্যের প্রকৃতি ও বৈদিক দর্শন – “বাক্যং রসাত্মকং কাব্যম্”
সাহিত্যতত্ত্বের ইতিহাসে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীর সাহিত্যদর্পণ (Sahitya Darpan) এক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যেখানে কাব্যের প্রকৃতি, তার রসাত্মকতা ও তার বৈদিক ভিত্তি বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি কাব্যের সংজ্ঞা দিয়েছেন—”বাক্যং রসাত্মকং কাব্যম্”, অর্থাৎ যে বাক্য রসপূর্ণ, তাই কাব্য। এই সংজ্ঞা কেবলমাত্র অলঙ্কারশাস্ত্রের আলোকে নয়, বরং এক গভীর দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য বহন করে।
সাহিত্য, সঙ্গীত এবং শিল্প থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি পশুর মতো
“साहित्य-संगीतकलाविहीनः साक्षात् पशुः पुच्छविषाणहीनः।” এর অর্থ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, তিনি বলতে চেয়েছেন যে সাহিত্য, সংগীত ও কলা থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে পশুর মতো, পার্থক্য কেবল এই যে তার লেজ ও শৃঙ্গ নেই।
হান কাং কি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের (2024) যোগ্য ছিলেন?
Date: 15th March 2025 তার সাহিত্য কি সর্বজনীন, নাকি কোরীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ? ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হান কাং (Han Kang)-এর […]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু: চিকিৎসাগত ত্রুটি ও অবহেলার বিতর্ক
Date: 15th March 2025 নিলরতন সরকার ও বিধানচন্দ্র রায়ের সার্জারি কি কবির মৃত্যুর জন্য দায়ী? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট, তাঁর চিকিৎসা পদ্ধতি […]
