শেখ মুজিবুর রহমান
জাতিসংঘ ভাষণ ১৯৭৪
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ
আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার
বিশ্ব শান্তি ও ন্যায়
জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অর্থনৈতিক সংকট
মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
শেখ মুজিবুর রহমান
জাতিসংঘ ভাষণ ১৯৭৪
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ
আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার
বিশ্ব শান্তি ও ন্যায়
জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অর্থনৈতিক সংকট
মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
ইউরোপের অস্তিত্বগত মুক্তি শুধুই দার্শনিক রুচির বিষয় নয়; বরং আত্মঘাতী আত্মবিভাজন থেকে তার মুক্তির শর্ত। কার্তেশীয় যুগান্তরের পর ইউরোপ যে ধারায় এগিয়েছে, সেখানে সর্বত্র দেখা গেছে সমগ্রতামূলক সত্যচেতনা ও ঐক্যের পরিবর্তে খণ্ডিত যুক্তির কর্তৃত্ব। অথচ এই নির্জীব ধর্মনিরপেক্ষতার আবরণের নীচে এখনও সুপ্ত রয়েছে প্রাচীন গ্রীক ‘লোগোস’-এর ধারণা
বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের বিশ্বকোষ (Encyclopedia of Bengali Language and Literature) তন্ময় ভট্টাচার্য (অ্যাডভোকেট)
বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের বিশ্বকোষ (Encyclopedia of Bengali Language and Literature) তন্ময় ভট্টাচার্য (অ্যাডভোকেট) র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর […]
বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের বিশ্বকোষ (Encyclopedia of Bengali Language and Literature) তন্ময় ভট্টাচার্য (অ্যাডভোকেট) হ হেমলতা দেবী (২৪ জুন ১৮৬৮ – ১২ মে ১৯৪৩) হেমলতা দেবী […]
বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের বিশ্বকোষ (Encyclopedia of Bengali Language and Literature) তন্ময় ভট্টাচার্য (অ্যাডভোকেট)
বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের বিশ্বকোষ (Encyclopedia of Bengali Language and Literature) তন্ময় ভট্টাচার্য (অ্যাডভোকেট) স সৌদামিনী দেবী (১৮৪৭–১৯২০) সৌদামিনী দেবী ছিলেন উনিশ শতকের এক বাঙালি লেখিকা […]
হরসুন্দর ভট্টাচার্য (১৯২০-১৯৯০) ছিলেন এক বর্ণনাপটু পুরুষ, যাঁহার জীবন ও পরিবারকথা ‘হরসুন্দর উপাখ্যান’ নামে পরিচিত। যেকালে সুবিধাসাধ্য হইত, সেকালে তিনি তাঁহার নাতিকে পূর্বপুরুষদের কথা, নিজ জীবনের কথা বলিতেন।
বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের বিশ্বকোষ (Encyclopedia of Bengali Language and Literature) তন্ময় ভট্টাচার্য (অ্যাডভোকেট) শ রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র: শিক্ষা, স্বরাজ ও সাহিত্যকে কেন্দ্র করে ঐতিহাসিক বিরোধ […]
শরৎচন্দ্র ছিলেন হাওড়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি; যদিও পরে উক্ত পদ হইতে ইস্তফা দেন। ১৯২৩ খৃষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁহাকে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ প্রদান করে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে বি.এ. পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণেতা বলিয়াও তিনি নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৩৬ খৃষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁহাকে ডক্টর অব লিটারেচার (সম্মানসূচক) উপাধি প্রদান করে।