বাংলা ভাষায় কমিউনিস্ট রাজনৈতিক সাহিত্য: একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

কমিউনিস্ট রাজনৈতিক সাহিত্য

কমিউনিস্ট পার্টি: বাংলা সাহিত্য ও রাজনৈতিক চিন্তার জগতে কমিউনিস্ট আদর্শের প্রভাব বহুমুখী। কমিউনিস্ট রচনাগুলো কেবল তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বাংলার সমাজ-সংস্কৃতির রূপান্তরে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। শ্রেণীসংগ্রাম, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা এবং শোষিত মানুষের মুক্তির সংকল্প এই লেখাগুলোর মর্মবস্তু। উনিশ শতকের শেষভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীতে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী আদর্শ বাংলার মানুষের এক অংশ বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও বিপ্লবীদের অনুপ্রাণিত করেছে, যদিও এখন এগুলো প্রায় অপ্রাসঙ্গিক। এই ধারার রচনাগুলো শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের সংকল্পে উজ্জীবিত ছিল এবং সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ ও সামন্তবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল।

কমিউনিস্ট মতবাদের ভিত্তি স্থাপন করেন কার্ল মার্ক্সফ্রিডরিখ এঙ্গেলস, যাঁরা দ্য কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (১৮৪৮) লিখে বৈশ্বিক শ্রমিক বিপ্লবের ডাক দেন। পরবর্তীতে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (১৯১৭) এবং চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (১৯৪৯) এই মতবাদকে বাস্তবায়িত করে।

১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে ইউরোপে মার্কস ও এঙ্গেলসের রচনা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করলেও বাংলায় এর প্রভাব আসে কিছুটা বিলম্বে। রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব (১৯১৭) এই ধারা ত্বরান্বিত করে। প্রথম দিকে ইংরেজি বা রুশ ভাষায় লেখা মার্কসবাদী গ্রন্থ বাংলায় অনূদিত হতে থাকে। তবে শীঘ্রই বাংলার মাটিতে এই তত্ত্বকে স্থানীয় প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন মানবেন্দ্র নাথ রায় (নরেন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য ২১ মার্চ ১৮৮৭ – ২৫ জানুয়ারী ১৯৫৪), যাকে অনেকেই “ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের জনক” বলে অভিহিত করেন। মুজফফর আহমদের “সমাজতন্ত্র” (১৯২৬) বইটি ছিল বাংলায় মার্কসবাদ বোঝার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা। এখানে তিনি পুঁজিবাদের সমালোচনা করে দেখিয়েছিলেন কীভাবে শ্রমিক শ্রেণীর ঐক্য গড়ে তোলা যায়। তাঁর আরেকটি কালজয়ী রচনা “কারাগারের রোজনামচা” (১৯৪০) শুধু একটি জেল ডায়েরি নয়, ব্রিটিশ শাসনকালে রাজবন্দীদের ওপর অত্যাচারের নগ্ন চিত্র এবং সেই সঙ্গে বিপ্লবীদের অদম্য মনোবলের দলিল। এই বইটি পরবর্তীতে বহু যুবককে কমিউনিস্ট আন্দোলনে আকৃষ্ট করেছিল। তার “সমাজতন্ত্র” (১৯২৬) মার্কসবাদের মূলনীতিকে বাংলায় জনপ্রিয় করে তোলে। ১৯২০-৩০-এর দশকে তিনি “লাঙ্গল” ও “গণবাণী” পত্রিকায় নিয়মিত লিখে শ্রমিক-কৃষক আন্দোলনকে তাত্ত্বিক ভিত্তি দেন।

মুজফফর আহমদের “ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস” (১৯৬৭) বা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রণব বর্ধনের “মার্কসবাদ ও বাংলার কৃষক” (১৯৮৩) মতো গ্রন্থগুলি গবেষক ও রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয়।

যদিও সরাসরি রাজনৈতিক লেখালেখি নয়, তবু বাংলা সাহিত্যের অনেক বড় নামই কমিউনিস্ট আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। এদের মধ্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তাঁর “পুতুলনাচের ইতিকথা” (১৯৩৬), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫ ) ,উপন্যাসে শ্রমিক ও কৃষকের সংগ্রাম জায়গা পেয়েছে। গ্রামবাংলার দরিদ্র কৃষক সমাজের ওপর জমিদার ও মহাজনদের শোষণের চিত্র ফুটে উঠেছে। এই উপন্যাসে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মানুষের নৈতিকতাকেও গ্রাস করে। ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি রাজনৈতিক রচনা লিখতেন না, তাঁর গল্প-উপন্যাসে মার্কসীয় দর্শনের ছাপ স্পষ্ট।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাশিয়ার চিঠি (১৯৩০) এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু সাহিত্যকর্মেও সোভিয়েত সমাজতন্ত্রের প্রভাব দেখা যায়, নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় – বাংলায় প্রথম ম্যাক্সিম গোর্কির ‘মা’ উপন্যাস অনুবাদ করেন । তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়গণদেবতা, আরোগ্য নিকেতন উপন্যাসে সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। সোমনাথ লাহিড়ী – লেনিনের রাষ্ট্র ও বিপ্লব বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন।

অন্যদিকে, “চিন্তামণি” (১৯৩৬) উপন্যাসে লাহিড়ী শহুরে মধ্যবিত্তের জীবনসংগ্রাম এবং পুঁজিবাদী সমাজের নিষ্ঠুরতাকে চিত্রিত করেছেন। মানিকের গল্পগুলোতেও মার্কসীয় দর্শনের প্রভাব স্পষ্ট, যেমন “প্রাগৈতিহাসিক” গল্পে তিনি শ্রেণীসংঘাতের একটি রূপক বর্ণনা দিয়েছেন।

তবে কমিউনিজম শুধু মানিকের রচনায় সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “ইছামতী” (১৯৫০) উপন্যাসেও গ্রামীণ সমাজের অর্থনৈতিক পরিবর্তন এবং কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র আছে, যদিও বিভূতিভূষণ সরাসরি কমিউনিস্ট আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন না।

কবিতার ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট চিন্তাধারা সবচেয়ে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচনায়। তাঁর “ছাড়পত্র” (১৯৪৮) কাব্যগ্রন্থ বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করে। এই বইয়ের “বিদ্রোহী” কবিতায় তিনি লিখেছিলেন:

“শোনো, শোনো, শোনো—
অত্যাচারের ইতিহাস রক্তে লেখা,
আমরা সেই ইতিহাসের শেষ অধ্যায় লিখবো!”

এই কবিতাগুলো ছিল শোষণের বিরুদ্ধে এক ধরনের যুদ্ধঘোষণা। সুকান্তের কবিতার ভাষা ছিল সরল, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সাধারণ মানুষের ভাষায় তাদেরই ব্যথা-বেদনা ও সংগ্রামের কথা বলেছিলেন।

অন্যদিকে, সমর সেন-এর কবিতায় মার্কসবাদী দর্শন আরও বেশি তাত্ত্বিক রূপ নেয়। তাঁর “কয়েকটি কবিতা” (১৯৩৭) সংকলনে তিনি লিখেছিলেন:

“পৃথিবীকে বদলাতে হবে,
কিন্তু কেবল কবিতায় নয়,
রক্তাক্ষরেও যদি প্রয়োজন হয়!”

নকশাল আন্দোলন: ১৯৬০-৭০-এর দশকে বাংলার কমিউনিস্ট আন্দোলনে একটি নতুন মোড় আসে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব ও মাও সেতুং-এর চিন্তাধারার প্রভাবে। এই সময়ে সরোজ দত্ত-এর লেখাগুলো বিপ্লবীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পঠিত হয়। তাঁর “মাও সেতুং-এর চিন্তাধারা” (১৯৬৯) বইটি ছিল বাংলায় মাওবাদ বোঝার একটি প্রধান উৎস।

নকশালবাড়ি আন্দোলনের সময় (১৯৬৭) লেখা তাঁর পুস্তিকা “জ্বালো, দাউ দাউ” (১৯৭০) সরাসরি কৃষক বিদ্রোহের আহ্বান জানাতো। এখানে তিনি লিখেছিলেন:

“শোষকেরা কখনও স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়বে না,
তাদের উচ্ছেদ করতে হবে বলপ্রয়োগের মাধ্যমেই!”

এই সময়ে আরও অনেক লেখক-কর্মী জেলখানায় বসে বা গোপনে থেকে বিপ্লবী সাহিত্য রচনা করেছেন। যেমন, চারু মজুমদার-এর “হাতেকলমে বিপ্লব” (১৯৬৫) পুস্তিকাটি নকশাল আন্দোলনের তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল।

সমসাময়িক পর্ব: আজকের দিনে বাংলায় কমিউনিস্ট রাজনৈতিক রচনা লেখা হচ্ছে, যদিও তার প্রকৃতি বদলেছে। এখন আর শুধু শ্রেণীসংগ্রাম নয়, বরং পরিবেশবাদ, নারীবাদ, জাতিগত নিপীড়ন ইত্যাদি বিষয়ও এই রচনায় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় প্রবীর ঘোষ-এর “বাংলায় বামপন্থার সংকট” (২০০৫) বইটির কথা, যেখানে তিনি আধুনিক যুগে বাম আন্দোলনের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বাংলায় প্রগতি সাহিত্য আন্দোলন (১৯৩০-৪০) কমিউনিস্ট সাহিত্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই আন্দোলনের মাধ্যমে শ্রমিক ও কৃষকের জীবন, শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, এবং সাম্যবাদী ভাবনা সাহিত্যিকদের লেখায় উঠে আসে । ১৯৩৬ সালে লক্ষ্ণৌতে নিখিল ভারত প্রগতি লেখক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে ভারতীয় লেখকরা সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে সাহিত্য রচনার আহ্বান জানান। বাংলা ভাষায় কমিউনিস্ট রচনাগুলো শোষণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে এবং আজও তা প্রাসঙ্গিক। কারণ, যতদিন বৈষম্য থাকবে, ততদিন এই ধারার সাহিত্য ও তত্ত্ব মানুষের সংগ্রামী চেতনাকে উজ্জীবিত করবে।

বৈদিক সমতাবাদী ব্যবস্থা: কমিউনিস্টরা বৈদিক সমাজকে প্রায়শই “বর্ণপ্রথার সমর্থক” হিসেবে চিহ্নিত করে, মনুস্মৃতি ইত্যাদি গ্রন্থে জন্মভিত্তিক বর্ণপ্রথার আমরা একটি রূপ পাই । বৈদিক সমাজে (ঋগ্বেদীয় যুগে) বর্ণ ছিল গুণ ও কর্মভিত্তিক বিভাজন, জন্মভিত্তিক নয়। কমিউনিস্টরা এই ইতিহাসের স্তরভেদ না বুঝে সমগ্র বৈদিক সংস্কৃতিকে “প্রতিক্রিয়াশীল” বলে আখ্যা করে। বৈদিক দর্শনে “বসুধৈব কুটুম্বকম” (সমগ্র পৃথিবীই এক পরিবার) বা “অহিংস পরমো ধর্ম”-এর মতো ধারণা রয়েছে, যা সার্বজনীন সমতাবাদেরই প্রকাশ। কিন্তু বাংলার কমিউনিস্টরা ধর্মনিরপেক্ষতাকে “ধর্মবিরোধিতা” হিসেবে নেওয়ায় বৈদিক চিন্তাধারার এই দিকগুলো তারা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয় এবং জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়।

বাংলার কমিউনিস্টরা জমিদারি উচ্ছেদের সময় হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও “শোষকের কেন্দ্র” হিসেবে দেখেছে। কিন্তু অনেক মন্দির সাথে যুক্ত ছিল লঙ্গরখানা, চিকিৎসালয় বা শিক্ষাকেন্দ্র—যেগুলো সমাজসেবার আদর্শ বৈদিক সংস্কৃতি থেকেই এসেছে। এই দ্বৈততা তারা বিবেচনা করেনি।

চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের আদলে বাংলার নকশাল আন্দোলন হিন্দু মন্দির, পুঁথি ও বৈদিক প্রতীক ধ্বংস করেছিল। তারা মনে করত, এই সংস্কৃতি “শ্রমিকশ্রেণীর Opium”। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল যে বাংলার বাউল, বৈষ্ণব, বা তান্ত্রিক ঐতিহ্যেও বৈদিক সমতাবাদেরই প্রতিফলন আছে।

মার্কসবাদ বস্তুবাদী (dialectic meterialism), আর বৈদিক দর্শনে আধ্যাত্মিকতার প্রাধান্য। কিন্তু উভয়ই সামাজিক ন্যায়ের কথা বলে। বাংলার কমিউনিস্টরা যদি বৈদিক “ঋণ” (দেবঋণ, পিতৃঋণ, মনুষ্যঋণ) বা “যজ্ঞ” (সমষ্টির জন্য ত্যাগ) এর ধারণা বুঝত, তাহলে তারা দেখত বৈদিক সমাজও “সবার জন্য ভাগ” নীতিতে বিশ্বাসী।

বাংলার কমিউনিস্টদের ভুল ছিল এই যে, তারা ধর্মীয় আচার আর দার্শনিক নীতিকে গুলিয়ে ফেলেছিল। বৈদিক সমাজে পতন এবং পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত সমাধানও বৈদিক দর্শনেই আছে—যেমন গীতা বলে “স্বধর্ম পালনই শ্রেয়”। কমিউনিস্টরা যদি ইতিহাসের স্তরভেদ বুঝে বৈদিক সমতাবাদের প্রগতিশীল দিকগুলো গ্রহণ করত, তাহলে বাংলার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন আরও সমন্বয়ধর্মী হতে পারত।

বেশিরভাগ কমিউনিস্ট লেখকই মনে করতেন যে রাশিয়ান সমস্যাগুলি আসলে বাংলার সমস্যা, তারা ভারতের জন্য রুশ বা চীনা সমাধান নির্ধারণ করেছিলেন। অতএব, কোনও সাংস্কৃতিক বিপ্লব বা বাঙালি মনে কমিউনিস্ট সাহিত্য কোনও প্রভাব তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছিল। বাংলা চৈতন্য মহাপ্রভুর সমতাবাদী সংস্কারকে গ্রহণ করেছে। কমিউনিস্ট ইশতেহার বা মার্ক্সের দাস ক্যাপিটালের একাধিক ভাষ্যের বিরুদ্ধে ভগবদগীতাই প্রধান প্রেরণা হিসেবে রয়ে গেছে। কৃষ্ণই নেতা, মার্ক্স নন।

ভারতবর্ষে এই সমস্ত তথাকথিত কমিউনিস্ট পার্টির যাঁরা নেতা, তাঁরা নিজেরা আগে কমিউনিস্ট হলে এবং এই কমিউনিস্ট নীতিনৈতিকতার অধিকারী হলে তবে তো অপরকে নেতৃত্ব দেবেন। তা এই সমস্ত তথাকথিত কমিউনিস্ট নেতাদের অনেকেই বস্তুগত অর্থেও ব্যক্তিগত সম্পত্তি যেখানে আজও ছাড়তে পারেননি, সেখানে তাঁরা ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে উদ্ভূত মানসিক ধাঁচা থেকে নিজেদের মুক্ত করবেন কী করে? (‘বর্তমান পরিস্থিতি এবং গণআন্দোলনে প্রধান বিপদ’ – শিবদাস ঘোষ ।। ২৪ এপ্রিল, ১৯৭৪-এর ভাষণ)

সাহিত্য সম্রাট: 14/05/2025

Read More


Leave a Reply

সাহিত্য সম্রাট জার্নাল