বাংলার ‘দিদি’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক আধিপত্য ও ক্ষমতাশিল্প

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী কেস স্টাডি। কংগ্রেসের ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন এবং টানা তিনবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া—এই যাত্রা মূলত সংঘাত, আবেগ ও টিকে থাকার রাজনীতির ইতিহাস।

১৯৮৪ সালে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র জিতে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের পর তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন এক নিরন্তর আন্দোলনকারী হিসেবে। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলন বামফ্রন্ট সরকারের পতনের পথ তৈরি করে এবং ২০১১ সালে তাঁর নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে।

২০২১ সালের পর তাঁর শাসন শুধু নির্বাচনী জয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতীকী ও আবেগী কর্তৃত্বে রূপ নেয়। দুর্নীতির অভিযোগ, কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাত এবং প্রশাসনিক চাপকে তিনি রাজনৈতিক লড়াইয়ের ভাষায় রূপান্তর করেন। “দিদি” পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি এক ধরনের মাতৃত্বপূর্ণ কর্তৃত্ব গড়ে তোলেন, যা ব্যক্তিগত সরল জীবনযাপনের সঙ্গে মিলিয়ে তাঁর জনপ্রিয়তাকে স্থায়ী করে।

জাতীয় রাজনীতিতে তিনি বিকল্প প্রধানমন্ত্রী না হলেও বিজেপি-বিরোধী শক্তির গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মুখ হয়ে ওঠেন। তবে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে প্রশাসনিক কেন্দ্রীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং উত্তরাধিকার সংকট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সার্বিকভাবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদর্শ বা সংস্কারের চেয়ে আবেগ, পরিচয় ও ধারাবাহিকতার রাজনীতি দিয়ে বাংলার রাজনৈতিক বাস্তবতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

ভূরিশ্রেষ্টির (ভুরশুট ) বাংলাভাষা ৭০০ খ্রিস্টাব্দ

ভূরিশ্রেষ্টি এবং গৌড়বঙ্গ মোগল শাসনকালে মিলিত গৌড়বঙ্গকে ‘বাঙ্গাল’ নামে অভিহিত করা হতো। পৌরাণিক (Vishnu Puran) কাহিনিতে উল্লেখিত দীর্ঘতম ঋষির পুত্র অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, ওড় এবং […]

ঈশাবাস্য উপনিষদের প্রভাব : বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির পরিপ্রেক্ষিত

Date: 12th February 2025 “ঈশাবাস্য উপনিষদের প্রভাব: গীতগোবিন্দ, চৈতন্যচরিতামৃত, আনন্দমঠ, গীতাঞ্জলি ও বাংলা সংস্কৃতির আত্মিক ভিত্তি” ঈশাবাস্য উপনিষদ বেদান্তদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মূল দর্শন […]

সাহিত্য সম্রাট জার্নাল