সেকাল আর একাল: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬)

জগদীশ্বর কৃপায়, ঊনবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক বাঙ্গালি নামে এক অদ্ভুত জন্তু এই জগতে দেখা দিয়াছে। পশুতত্ত্ববিৎ পণ্ডিতেরা পরীক্ষা দ্বারা স্থির করিয়াছেন, যে এই জন্তু বাহ্যতঃ মনুষ্য-লক্ষণাক্রান্ত; হস্তে পদে পাঁচ পাঁচ অঙ্গুলি, লাঙ্গুল নাই, এবং অস্থি ও মস্তিষ্ক, “বাইমেনা” জাতির সদৃশ বটে। তবে অন্তঃস্বভাব সম্বন্ধে, সেরূপ নিশ্চয়তা এখনও হয় নাই। কেহ কেহ বলেন, ইহারা অন্তঃসম্বন্ধেও মনুয্য বটে, কেহ কেহ বলেন, ইহারা বাহিরে মনুষ্য, এবং অন্তরে পশু।

বিদ্যাপতি ও জয়দেব: বঙ্কিমচন্দ্র দ্বারা সমালোচনা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়বিবিধ সমালোচন১৮৭৬ বিদ্যাপতি ও জয়দেব সমালোচনা বাঙ্গালা সাহিত্যের আর যে দুঃখই থাকুক, উৎকৃষ্ট গীতি কাব্যের অভাব নাই। বরং অন্যান্য ভাষার অপেক্ষা বাঙ্গালায় এই জাতীয় […]

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবী চৌধুরাণীর উপন্যাসের সময়ের পরিচিতি

দেবী চৌধুরাণী: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এক অনন্য সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ইংরেজি ১৮৮৪ সনে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবী চৌধুরাণী’ (১৮৮৪ সনের প্রথম প্রকাশিত) একটি যুগান্তকারী উপন্যাস […]

সাহিত্য সম্রাট জার্নাল