গঠনের মুখে নূতন ভারত: বারীন্দ্রকুমার ঘোষ (১৯৩৬)

শ্রীঅরবিন্দের জাতীয় শিক্ষা, দেশবন্ধুর পল্লীসংগঠন, মহাত্মাজীর অর্থনীতিক প্রচেষ্টা ও অস্পৃশ্যতা নিবারণ সবই সমান বর্থতায় পর্য্যবসিত হয়েছে, কারণ এঁরা সকলেই উপেক্ষা করেছিলেন দেশের শাসন শক্তিকে, ব্যবস্থাপক মণ্ডলীকে, legislative ও executive শক্তিকে। তাঁরা গেছিলেন হাওয়ায় রাজপ্রাসাদ গড়তে, ভাবের চোরাবালুর উপর দেশযজ্ঞের ভিত্তি রচনা করতে।

শৃঙ্গাররসের শ্রেষ্ঠত্ব: শ্রীভোজদেবকৃত শৃঙ্গারপ্রকাশের আলোকে

শ্রীভোজদেব (১০১০-১০৫৫ খ্রিষ্টাব্দ) বিরচিত “শৃঙ্গারপ্রকাশ” নামক কাব্যতাত্ত্বিক গ্রন্থখণ্ডে যে প্রাচীন সংস্কৃত শ্লোকসমূহ সংকলিত হইয়াছে, তাহার প্রথম প্রভাসে কবি যেরূপে শৃঙ্গাররসের একচ্ছত্র শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন, তাহা কাব্যরসতত্ত্বে এক অভূতপূর্ব ঘোষণা বলিয়াই গণ্য হইতে পারে।

সংস্কৃত হইতে প্রাকৃত, অপভ্রংশ, অবহট্ট ভাষাসমূহের রূপান্তর

প্রাকৃত, অপভ্রংশ ও আধুনিক ভারতীয় ভাষাসমূহের ক্রমবিকাশ, উপভাষাগত অনুবর্তন, এবং সাহিত্যিক নিদর্শনের অনুবৃত্তি কালিদাসকৃত বিক্রমোর্বশীয়ম্ (চতুর্থ-পঞ্চম শতাব্দী খ্রি) নাটকে অপভ্রংশ ভাষার ব্যবহার সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্যণীয়, বিশেষতঃ […]

প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য: শ্রী অরবিন্দ (১৯১০)

মূল প্রকাশের তারিখ: ২২ জানুয়ারী ১৯১০ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য আমাদের দেশে ও য়ুরােপে মুখ্য প্রভেদ এই যে, আমাদের জীবন অন্তর্মুখী, য়ুরােপের জীবন বহির্মুখী ৷ আমরা […]

যুদ্ধগীতা: যুদ্ধনৈতিকতার আদর্শবাণী

কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক বর্ণিত যুদ্ধের চূড়ান্ত নীতিশাস্ত্র যুদ্ধগীতা আসলে এক ধরনের সংলাপ, যা অন্ধ কুরু রাজা ধৃতরাষ্ট্র আর তাঁর রথচালক সঞ্জয়ের মধ্যে হয়েছিল। এই সংলাপের ভিতরেই […]

বুদ্ধভূমি নয়, ভারত যুদ্ধভূমি: অশান্তির মাঝেই শান্তির সাধনা

যুদ্ধই মোক্ষের পথ, সংঘর্ষেই মোক্ষের মাধুর্য ভারতবর্ষ কখনোই নিছক এক অহিংসার ভূমি ছিল না, বরং এটি ছিল এক যুদ্ধভূমি— যেখানে যুদ্ধের মধ্য দিয়েই মোক্ষলাভ সম্ভব। […]

শ্রীল ভক্তি বেদান্ত ত্রিবিক্রম মহারাজ ও তাঁহার ধর্মদর্শন

নবদ্বীপ গৌড়ীয় আন্দোলনের উত্তরাধিকার, শুদ্ধ বৈষ্ণব ভাবধারার এক মহামানব চরিত বাংলা ও মথুরা অঞ্চলের আধুনিক গৌড়ীয় বৈষ্ণব আন্দোলন মূলতঃ উনবিংশ শতকের শেষার্ধে এক অন্ধকার অধ্যায়ে […]

কাব্যের প্রকৃতি ও বৈদিক দর্শন – “বাক্যং রসাত্মকং কাব্যম্”

সাহিত্যতত্ত্বের ইতিহাসে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীর সাহিত্যদর্পণ (Sahitya Darpan) এক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যেখানে কাব্যের প্রকৃতি, তার রসাত্মকতা ও তার বৈদিক ভিত্তি বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি কাব্যের সংজ্ঞা দিয়েছেন—”বাক্যং রসাত্মকং কাব্যম্”, অর্থাৎ যে বাক্য রসপূর্ণ, তাই কাব্য। এই সংজ্ঞা কেবলমাত্র অলঙ্কারশাস্ত্রের আলোকে নয়, বরং এক গভীর দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য বহন করে।

সাহিত্য, সঙ্গীত এবং শিল্প থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি পশুর মতো

“साहित्य-संगीतकलाविहीनः साक्षात् पशुः पुच्छविषाणहीनः।” এর অর্থ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, তিনি বলতে চেয়েছেন যে সাহিত্য, সংগীত ও কলা থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে পশুর মতো, পার্থক্য কেবল এই যে তার লেজ ও শৃঙ্গ নেই।

মণিপুরের ইতিহাস ও মিতাই রাজবংশ: একটি গবেষণামূলক আলোচনা

Date: 12th March 2025 মণিপুর (Manipur) ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক রাজ্য। এর ভৌগোলিক অবস্থান, আদিবাসী সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ জনবিন্যাস মণিপুরকে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে। […]

সাহিত্য সম্রাট জার্নাল