খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী, ভারতীয় শাস্ত্র ও সংস্কৃতির ইতিহাস
খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী, যাহা ভারতীয় শাস্ত্র ও সংস্কৃতি ইতিহাসে এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ বলিয়া অভিহিত হইবার যোগ্য, সেই যুগে বাৎস্যায়ন আচার্য্যের কামসূত্র গ্রন্থের (নাগরিকশিক্ষা-সংহিতা) রচনা এবং প্রচার ঘটিয়াছিল (৪৩০ খ্রিস্টপূর্ব)। এই কালটিকে কেবল ধর্মশাস্ত্র বা রাজশাস্ত্রের যুগ বলিলে তাহার ঐতিহাসিক গভীরতা সম্পূর্ণ অনুধাবন হয় না; বরং এই সময় ভারতীয় নাগরিক সভ্যতা ও মনুষ্যচরিতার্থতার বহুমুখী সংবিকাশের যুগ, শিশুনাগ বংশ উদ্ভুত রাজন্যবর্গ এই মহতি কৃষ্টির সংরক্ষক ছিলেন।
প্রাচীন ভারতীয় রাষ্ট্রসমূহ, যাহা মহাজনপদ নামে খ্যাত, তখন ধর্মশাস্ত্র, অর্থশাস্ত্র ও কামশাস্ত্র এই ত্রয়ের উপর ভিত্তি করিয়া নিজেদের নীতিনির্ণয় করিত। বাৎস্যায়ন আচার্য্যের কামসূত্র (ও তৎ পূর্ববর্তী আচার্যগণ), তৎসময়ে নাগরিকজীবনের নিয়ম ও আচারসমূহ নির্ধারণ করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়। স্বায়ম্ভুব বংশ উদ্ভুত মনু ধর্মসংক্রান্ত, বৃহস্পতি অর্থসংক্রান্ত, শৈব নন্দী কর্মসংক্রান্ত আচার-বিমর্ষ গ্রন্থ নির্মাণ করেন । উদ্দালকশিষ্য শ্বেতকেতু ( ১০০০ – ৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) পাঁচশত অধ্যায়ের এক মহান নিবন্ধ গ্রন্থ নির্মাণ করেন,যাহা সম্ভবত বৎস্যদেশ নিবাসী বাৎস্যায়ন বারাণসীর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করেন । উদ্দালকশিষ্য শ্বেতকেতু ছান্দোগ্য উপনিষদে পুনর্জন্ম বাদের প্রবক্তা হইয়া থাকেন ।
উত্তর ভারতবর্ষের পাটলিপুত্র, বারাণসী, মথুরা, উজ্জয়িনী এবং ঊৎকল—এই সমস্ত জনপদ সমূহ তখন ধর্ম, অর্থ ও কাম এই ত্রিবর্গ অনুসরণের কেন্দ্রস্থল। পাটলিপুত্রে রাজশক্তি এবং শাস্ত্রশক্তি দুইয়ের সমন্বয়; বারাণসীতে বৈদিক বিদ্যা সজীব; মথুরায় বাণিজ্য, শিল্প এবং নাগরিক বিনোদনের আয়োজনে কামশাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রবল; উজ্জয়িনীতে রাজপুত্র ও গণিকা উভয়েরই কামসূত্র অনুসরণীয় হইয়াছিল; এবং ঊৎকলে নাগরিক চতুঃষষ্টি কলার প্রচার ও প্রসার তৎকালীন ঐতিহাসিক সত্য।
পানিনির (৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) বহুপূর্বে শৈবাচার্য নন্দী, যিনি নন্দিকেশ্বর নামে খ্যাত, শৈবসিদ্ধান্তানুসারে ভাষাশাস্ত্র বা ব্যাকরণ প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন। অপরিমিত প্রাচীন কাশী নগরী, যাহা পরবর্তীকালে খ্রিস্টপূর্ব এক সহস্র হইতে নয় শতকের মধ্যে ‘বারাণশী’ নামে অভিহিত হইয়াছিল, সেই বারাণশী পুরীতে নন্দিকেশ্বর প্রতিষ্ঠিত এক বিশাল শিবমন্দির ছিল। ইহারই আশ্রয়ে গড়ে উঠিয়াছিল শৈবধর্মীয় বিদ্যার বিস্তৃতি।
নন্দিকেশ্বরের পর বৃহস্পতি নামক মহাচার্য বারাণশী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাধ্যায়ত্ব করিতেন (১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)। অনুমান হয়, উক্ত প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান দশাশ্বমেধ ঘাটের নিকটবর্তীতে অবস্থিত ছিল; বৃহস্পতির পাঠশালা বর্তমানে বৃহস্পতি মন্দির নামে পরিচিত হইতেছে, গঙ্গা সেইসময়ে রামনগর দিয়া প্রবাহিত হইতো। কৌটিল্য চাণক্যের অর্থশাস্ত্রে (৩৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) আচার্য বৃহস্পতির উল্লেখ পাওয়া যায়, যাহা ইহার ঐতিহাসিকতা প্রতিপাদিত করে। সেই সময়ে বারাণশী বৃহদ্রথ বংশ শাসনাধীন (১৭০০-৬৮২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিল ।
বৃহস্পতির শিষ্য পিশুন নারদ প্রথম পরিব্রাজক আচার্য রূপে স্বীকৃত হন। তিনিই প্রথম ‘ভ্রমণকারী অধ্যাপক’ বা Visiting Professor, যাহার উল্লেখ অর্থশাস্ত্রেও উপস্থিত রহিয়াছে।
নন্দিনাগরী লিপির আবিষ্কারক বলিয়া নন্দিকেশ্বরের নাম শৈব শাস্ত্রানুসারে বিবেচিত। ইহা কেবলমাত্র কোনও ঐতিহাসিক অনুমান নহে, বরং শৈবসিদ্ধান্ত ও প্রাচীন ব্যাকরণচর্চার সূত্রে উল্লিখিত। বারাণশী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিব্রাজক আচার্য নারদ এই নন্দিনাগরী লিপির পরিবর্তে দেবনাগরী লিপি প্রচলিত করেন। ইহা বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় যে, উক্ত বারাণশী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তঃস্থ ব্রাহ্মণ ছাত্রগণের মধ্যেই এই দুই লিপি শিক্ষাদান সীমাবদ্ধ ছিল। প্রজাসাধারণ বা অন্য জাতির মধ্যে এই লিপির প্রচলন নিষেধ ছিল।
‘দেবনাগরী’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হইতেছে দেবদের নগর। এই দেবনাগর শব্দটি মূলতঃ বারাণশী নগরী বোঝাইত। কারণ বারাণশীই ছিল ব্রাহ্মণসমাজের কেন্দ্রীয় শিক্ষাকেন্দ্র এবং শৈব-শাক্ত উপাসনার প্রধান পীঠস্থান। সেই কারণে বারাণশীর নামই ‘দেবনগর’ বা ‘দেবনগর’ বলিয়া প্রসিদ্ধ হয়।
এ কথা বিশেষভাবে উপলব্ধিযোগ্য যে, নন্দিনাগরী হইতে দেবনাগরী লিপির উদ্ভব কোন আকস্মিকতা নহে; বরং বারাণশী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাহ্মণ পণ্ডিতগণ উভয় লিপিকে শাস্ত্রোদ্ধৃত ও গুরুগম্য বিদ্যার বাহক বলিয়া গোপন রাখিতেন। কেবলমাত্র উপযুক্ত ব্রাহ্মণ ছাত্রগণকেই এই লিপি শিক্ষাদানের অধিকার রহিয়াছিল।
অতঃপর খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের মধ্যভাগে, আনুমানিক ৩৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বারাণশী বিশ্ববিদ্যালয় লুপ্তপ্রায় হইয়া পড়ে। কালে কালান্তরে, শৈব ঐতিহ্যের চতুঃষষ্টি বিদ্যা বা কলা, যাহা কামশাস্ত্র ও শৈবতন্ত্রে বিশদরূপে বিধৃত ছিল, সেইগুলি বিকৃতপ্রায় হইয়া খ্রিস্টীয় অষ্টম ও নবম শতকে আধাশিক্ষিত বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নিকট ‘চতুঃষষ্টি যোগিনী’ রূপে রূপান্তরিত হয়।
বাৎস্যায়নের রচনার মূল উদ্দেশ্য কেবল কর্মভোগবিদ্যার চর্চা নহে। শাস্ত্রে তিনি ঘোষিত করেন—“শতায়ুর্বৈ পুরুষো বিভজ্য কালং অন্যোন্যানুবদ্ধং,” অর্থাৎ কাল বা সময়ই সমস্ত ধর্ম, অর্থ ও কাম সাধনার মূল পরিমাপক। এক শতবর্ষ মানবজীবনের কল্পিত আয়ু, যাহা কালক্রমে তিনভাগে বিভক্ত।
শৈশবে বিদ্যা ও ধর্ম শিক্ষা; যৌবনে কাম এবং অর্থ অর্জন; বার্ধক্যে পুনরায় ধর্ম ও মোক্ষ সাধন। এই কালবিভাগ বৈদিক চতুরাশ্রম ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি, বাৎস্যায়নের ব্যাখ্যায় ইহা নাগরিক জীবনে বিশদরূপে উপস্থিত। বিদ্যাগ্রহণের জন্য ব্রহ্মচর্য আবশ্যক। কারণ অদৃষ্টার্থ কামাদি কার্যের পরিচালনা শাস্ত্রের দ্বারা হয়। অজ্ঞ লোকেরও শাস্ত্রাদিষ্ট হওয়া উচিত। শাস্ত্রই মাংসভক্ষণ প্রভৃতি প্রবৃত্তি হইতে নিবৃত্ত করে; ইহাই ধর্ম। শ্রুতি ও ধর্মজ্ঞের সমবায় হইতে ধর্ম অবলম্বনীয়। বিদ্যা, ভূমি, হিরণ্য, পশু, ধান্য, ভাণ্ডার, উপস্কর, বন্ধু প্রভৃতি অর্জন, ও অর্জিত সম্পদের বৃদ্ধি—ইহাই অর্থ। রাজ্যাধ্যক্ষ, ব্যবসায়ী ও বণিকগণ অর্থব্যবস্থার মূল।
ইহা উল্লেখযোগ্য যে, সেই সময়ে পাটলিপুত্র হইতে বারাণসী পর্য্যন্ত মহাপথ দ্বারা সংযুক্ত ছিল এবং মগধরাজ্যের প্রতাপ ও প্রশাসন বৃহৎ বাণিজ্য, শাস্ত্র এবং কামচর্চা নিয়ন্ত্রণ করিত। কামসূত্রে বর্ণিত “চতুঃষষ্টি কলা” বাস্তবে নাগরিক সমাজে ব্যবহৃত হইত। গীত, বাদ্য, নৃত্য, অলঙ্কার, বাসনপ্রয়োগ, কাব্যরচনা—ইহা নিছক অলঙ্কারশাস্ত্র নহে, বরং অর্থনীতি ও ধর্মনীতির সহায়কও ছিল।
“গীতং, বাদ্যং, নৃত্যং, আলেখ্যং, বিশেষকচ্ছেদ্যং, তণ্ডুলকুসুমবলিবিকারাঃ, পুষ্পাস্তরণং, দন্তবাসনাগরাগঃ, মণিভূমিকাকর্ম, শয়নরচনং, উদকবাদ্যং, উদকাঘাতঃ, চিত্রযোগাঃ, মাল্যগ্রথনবিকল্পাঃ, শিখরকাপীড়যোজনং, নেপথ্যপ্রয়োগাঃ, কর্ণপত্রভঙ্গাঃ, গন্ধযুক্তিঃ, ভূষণযোজনং, ঐন্দ্রজালঃ, কৌচুমারঃ, হস্তলাঘবং, বিচিত্রশাকয়ূষভক্ষ্যবিকারক্রিয়া, পানকরসরাগাসব-যোজনং, সূচীবানকর্মাণি, সূত্রক্রীড়া, বীণাডমরুকবাদ্যানি, প্রহেলিকা, প্রতিমালা, দুর্বাচকযোগাঃ, পুস্তকপাঠনং, নাটকাখ্যানীকাদর্শনং, কাব্যসমস্যাপূরণং, পট্টিকাবানবেত্রবিকল্পাঃ, তক্ষকর্মাণি, তক্ষণং, বাস্তুশাস্ত্রবিদ্যা, রৌপ্যপরীক্ষা, ধাতুবাদঃ, মণিরাগাকারজ্ঞাানং, বৃক্ষায়ুর্বেদযোগাঃ, মেষকুক্কুটলাবকযুদ্ধবিধিঃ, শুকসারিকাপ্রলাপনং, উত্সাদনে স্নেহন সংবাহনে কেশমর্দনে চ কৌশলং, অক্ষরমুষ্টিকাকথনং, ম্লেচ্ছিতবিকল্পাঃ, দেশভাষাবিজ্ঞানং, পুষ্পশকটিকা, নিমিত্তজ্ঞাানং, যন্ত্রমাতৃকা, ধারণমাতৃকা, সম্পাঠ্যং, মানসীকাব্যক্রিয়া, অভিধানকোষঃ, ছন্দজ্ঞানং, ক্রিয়াকল্পঃ, ছলিতকযোগাঃ, বস্ত্রগোপনানি, দ্যূতবিশেষঃ, আকর্ষক্রীড়া, বালক্রীড়নকানি, বৈনয়িকীনাং, বৈজয়িকীনাং, ব্যায়ামিকীনাং চ”—এইরূপ চতুঃষষ্টি অঙ্গবিদ্যা কামসূত্রের অবয়ববিন্যাসরূপে বিধৃত।
এই চতুঃষষ্টি বিদ্যায় অনুশীলিত ব্যক্তি সামাজিক জীবনযাত্রায় সুসংস্কৃত হইয়া উঠিত এবং কৌশল, রুচি, শৃঙ্খলা ও সৃজনশীলতা দ্বারা ভরপুর হইয়া নিজ ব্যক্তিত্ব সমুন্নত করিত।
উজ্জয়িনীর গণিকারা ও মথুরার বণিকেরা কামসূত্র অবলম্বন করিত, যেন তাহারা নিজেদের অর্থোপার্জনে এবং রাজসভার প্রীতিলাভে শ্রেষ্ঠ হয়। বাত্স্যায়ন স্পষ্ট বলেন—“ন কামাংশ্চরেত, ধর্মার্থযোঃ প্রধানযোঃ”—অর্থাৎ কামের সাধন ধর্ম ও অর্থের বিরুদ্ধ হইলে তাহা পরিত্যাজ্য।
কাল বা সময়ের কার্যকারিতার প্রতি বাৎস্যায়নের দৃষ্টি গভীর। তিনি বলেন—“তৎসর্বং কালকারিতং,” অর্থাৎ সমস্ত কিছু কালের দ্বারা নির্ধারিত। এই উপপাদ্য রীতিমতো গম্ভীর। কারণ, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে, বিশেষতঃ নন্দ-মৌর্যযুগের পূর্ব মুহূর্তে, ভারতবর্ষ এক বিশেষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের কালে উপস্থিত ছিল।
মগধ রাজশক্তি প্রভাব বিস্তার করিতেছিল। শূদ্রক, অভিজ্ঞানশকুন্তলম্ প্রভৃতি নাটকের পূর্বপর্ব, বণিক সম্প্রদায়ের উত্থান, নগরসমাজের প্রসার—ইহা সমসময়ীন। এই পটভূমিতে কামসূত্র একটি সামগ্রিক সামাজিক নীতিশাস্ত্র বলিয়া প্রতিপন্ন হয়।
পাঠকগণ লক্ষ্য করিবেন, বাৎস্যায়ন কেবল নাগরিকগণের জন্য শাস্ত্র রচনা করেন নাই; নারীগণের জন্যও পৃথক অনুশাসন দিয়া গিয়াছেন। “বিশ্বস্ত জনের নিকট হইতে শাস্ত্রের একাংশ গ্রহণ করিতে হইবে,”—ইহা তৎকালীন নারীশিক্ষার এক সামাজিক স্বীকৃতি।
আবার “পুরুষকার” ও “কাল”—এই দুই শক্তির সমন্বয়ে কার্য সিদ্ধি, ইহা বাৎস্যায়নের মৌলিক বক্তব্য। একমাত্র ভাগ্যের দিকে তাকাইয়া থাকিলে চলিবে না; পুরুষের নিজ কর্মই সিদ্ধির প্রকৃত কারণ। তথাপি কালের শক্তিও স্বীকারযোগ্য।
কালই পুরুষের অর্থ ও অনর্থ, জয় ও পরাজয়, সুখ ও দুঃখ নির্ধারণ করে। বালী ইন্দ্র হইলেন, পুনরায় পতিতও হইলেন; ইহা কালকৃত। তবে সমস্ত কার্য পুরুষকারের সহিত উপায়ে সিদ্ধ হয়। নিষ্কর্মা থাকিয়া কেহ শুভ লাভ করে না। কামকে অনুশীলন করিবে না; কারণ ধর্ম ও অর্থ প্রধান, এবং কাম অন্যত্র বিরোধী। কামের অতি আসক্তি মানুষকে অনর্থ, অপবিত্র, বিলম্বিত ফল ও অগ্রহণীয় অবস্থায় নিক্ষেপ করে।
বাৎস্যায়নের কামসূত্র খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর ভারতবর্ষের ধর্ম, অর্থ ও কাম এই ত্রিবর্গের শাস্ত্রসমূহের মধ্যে এক অনন্য ও বহুমুখী দৃষ্টান্ত। পাটলিপুত্র হইতে উজ্জয়িনী ও ঊৎকল পর্যন্ত ভারতবর্ষের নাগরিক সংস্কৃতিতে ইহা অপরিহার্য ছিল।
এই কারণেই ঐ যুগকে ‘বাৎস্যায়ন যুগ’ বলিয়া অভিহিত করা ন্যায়সঙ্গত।
তন্ময় ভট্টাচার্য
