শূদ্র (Sudra) সম্বন্ধে এইটুকু বলিলেই যথেষ্ট হইবে, যে, যে বিরাট পুরুষের অঙ্গ হইতে ব্রাহ্মণাদি বর্ণত্রয় উৎপন্ন হইয়াছেন; সেই বিরাট পুরুষেরই অঙ্গ হইতে শূদ্রেরা জন্মগ্রহণ করিয়াছেন। একটা শরীর কল্পনা করিতে হইলে, তাহার মস্তকের যেরূপ প্রয়োজন, পদদ্বয়ের তাহা অপেক্ষা কম প্রয়োজন নহে। মস্তক না থাকিলে শরীর পূর্ণতাকে প্রাপ্ত হইতে পারে না; পা, না থাকিলে শরীরের সেইরূপ অবস্থা হইয়া থাকে। তাই সমাজ—শরীরের মস্তক ও চরণ উভয়েরই প্রয়োজন আছে। একটি না থাকিলে, আর একটী কখনই থাকিতে পারে না।
শূদ্রের সামাজিক অবস্থান: ধর্ম ও ইতিহাসের প্রেক্ষাপট
আমাদের সমাজ, পৃথিবীর সকল সমাজের আদর্শ স্থানীয়, পৃথিবীর সকল সমাজ অপেক্ষা শক্তিশালী, এবং সকল সমাজ অপেক্ষা প্রাচীন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের দুই দিনের নূতন নূতন সমাজ মধ্যে, কত বিপ্লব কত মারামারি, কত কাটাকাটি অনুষ্ঠিত হইয়া দুই দিনের মধ্যেই কত বিনষ্ট হইয়া গিয়াছে, তাহার সংখ্যা করা সুকঠিন। কিন্তু আমাদের সমাজ, অনন্তকাল হইতে পরস্পর কেমন সুন্দর রূপে মিলিত হইয়া, এই সমাজ শরীরকে রক্ষা করিতেছে; তাহা অভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়া অধ্যয়ন করিলে বিস্ময়াপন্ন হইতে হয়। এখানে ধনবান, দরিদ্রে মারামারি কাটাকাটি নাই, বিদ্বান মুর্খে, বিদ্বেষ নাই, সকলেই নিজের নিজের অবস্থায় প্রসন্নচিত্ত হইয়া সমাজ সেবায় যত্নশীল।
গ্রীকরা (Greek), এদেশে আসিয়া দেখিলেন, তাঁহাদের দেশে দাসদের যেরূপ ঘোরতর দুরবস্থা, এদেশে তদ্রূপ কিছুই নাই, ইহা দেখিতে না পাইয়া তাঁহারা বিস্মিত হইলেন। একটি গৃহস্থের বাটীতে সকলেই কর্ত্তা হইলে যেরূপচলে না, কাহাকে কাট কাটিতে হয়, কাহাকে উপার্জ্জন করিতে হয়; কাহাকে বিদ্যানুশীলন করিতে হয়; সেইরূপ সেকালে আমাদের সমাজের ব্যক্তিগণ স্বতন্ত্র তার সহিত আপন আপন কার্য্য নির্ব্বাহ করিতেন।
আমাদের এই অনাদিকালের সামাজিক ইতিহাসে, ব্রাহ্মণ শূদ্রে, বা জাতিতে জাতিতে, মারামারি, কাটাকাটি, হইতে কখন দেখি নাই। দুই একবার কোন এক ব্রাহ্মণের সহিত, কোন এক রাজা বা রাজবংশের সহিত বিরোধ হইয়াছিল। তাহা জাতিতে জাতিতে বিরোধ নহে, সে বিরোধ ব্যক্তিগত ভাবে। পশ্চিমে একটা কথা আছে যে, “বিভক্ত করিয়া শাসন কর, এই নীতি অনুসরণ করিয়া, তাঁহারা বলেন, “স্বার্থপর ব্রাহ্মণগুলা শূদ্রেদের প্রতি বড়ই অসদ্ব্যবহার করিতেন,—সমাজে তাহাদের স্থান অনেক নিম্নে, ইত্যাদি ইত্যাদি দোষারোপ করিয়া আমাদের দেশের অজ্ঞদের বুদ্ধিভেদ উৎপন্ন করিতে চেষ্টা করিয়া থাকেন।
আমাদের দেশের একশ্রেণীর লেখক, তাঁহাদের গুরুদের কথার ভিতর প্রবেশ না করিয়া, আমনি তাহারাও ধুয়া তোলেন যে, ব্রাহ্মণগণের মতন দুষ্টজাতি জগতে আর নাই, হিন্দুর (Hindu) যাহা কিছু সর্ব্বনাশ এই ব্রাহ্মণদের দ্বারা সাধিত হইয়াছে। এই সকল প্রলাপ উক্তির সম্বন্ধে এইটুকু বলিলে যথেষ্ট হইবে যে, উপযুক্ত ব্যক্তির শ্রেষ্ঠত্ব, কেহই কখন অপলাপ করিতে সমর্থ হয় না। আর অনুপযুক্ত সহস্র চেষ্টাতেও গুরুস্থানে সমাসীন হইতে পারে না, তাহার পদচ্যূতি হইবেই হইবে।
যে দেশে ব্যাধের (ধর্ম) নিকট ও ব্রাহ্মণ ধর্ম্ম কথা শ্রবণ করিতেন, যে দেশে নিষাদরাজের মিত্রতা সাদরে গৃহীত হইত, সে দেশে জাতি বিদ্বেষের কথা উঠা কোনরূপে উচিত নহে। জাতিভেদ সকল দেশেই আছে, ইহার সহিত বিদ্বেষও আছে, ভারতে জাতিভেদ থাকিয়াও বিদ্বেষ নাই, ইহাই ইহার বিশেষত্ব। আমাদের পরাধীনতার সহিত, আমাদের উদারবৃত্তি সকল সঙ্কুচিত হইয়াছে, আমাদের মনুষ্যত্ব আমাদিগকে পরিত্যাগ করিয়া দূরে চলিয়া গিয়াছেন। আমরা উদার না হইলে, আমরা মানুষ না হইলে, আমাদের সমাজ সুরক্ষিত হইবে না।
আমাদিগকে ধ্বংস করিবার জন্য যাহারা প্রস্তুত; অথচ যাহাদিগের সমাজ মধ্যে, স্ত্রী পুরুষ, ধনী নির্ধন পরস্পর কলহে প্রবৃত্ত, আমরা আত্মরক্ষার জন্য তাহাদিগের নিকট গমন করিতেছি, তাহাদিগের অনুকরণ করিতেছি, তাহাদিগকে আদর্শ করিতেছি। ঘোরতর উন্মাদ ও এরূপ কার্য্যে অগ্রসর হয় কি না, সে বিষয় সন্দেহ হইয়া থাকে। যদি বাঁচিয়া থাকিতে চাও, তাহা হইলে আমাদের নিজের প্রাচীন আদর্শকে অনুসরণ কর, তাহা হইলে রক্ষিত হইবে। মনু (Manu) প্রভৃতি ধর্ম্মশাস্ত্রের প্রবর্ত্ত্বকগণ, শূদ্রের সহিত কোথায় যাইবে না, শূদ্রকে বিশ্বাস করিবে না, শূদ্রকে উপদেশ দিবে না, ইত্যাদি যে কতকগুলি বিধান প্রণয়ন করিয়াছেন; তাহা কখন যে কার্য্যে পরিণত হইয়াছিল বলিয়া বোধ হয় না। অথচ সাংসারিক বিষয়ে তাহার, সম্পূর্ণ বিপরীত দেখিতে পাওয়া যায়।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব
পুরাকালে আমাদের দেশের সমস্ত শিল্পদ্রব্য প্রায়ই শূদ্রগণকর্তৃক নির্ম্মিত হইত; সুতরাং শূদ্র ও বণিকগণ যে বিশেষরূপে অর্থশালী হইত, তাহাতে কিছুমাত্র সন্দেহ নাই। শূদ্রগণ কত প্রকার কারুকার্য্য করিয়া সমাজের সেবা করিতেন, তাহা রামায়ণ পাঠে অবগত হওয়া যায়। রাম বনে গমন করিলে, অযোধ্যার মণিকার, সুদক্ষ কুম্ভকার, তন্তুবায়, অস্ত্র নির্ম্মাণ কারক, মায়ুরকে (ময়ুর পুচ্ছের নানাবিধ দ্রব্য প্রস্তুতকারক) ক্রাকচিক (করাতী) মুক্তাদি বেধক, দন্তকার, রোচক? সুধাকর, (চূণ ব্যবসায়ী) গন্ধোপজীবী, (সুগন্ধদ্রব্য যাহারা প্রস্তুত করে) সুবর্ণকার, কম্বলকার, স্নাপক, অঙ্গমর্দ্দক, ধূপক (যাহারা ধুপ করে) শৌণ্ডিক, রজক, তুন্নবায় (দর্জ্জী) গ্রাম ঘোষ প্রভৃতি নাগরিকগণ, ভরতের অনুগমন করিয়াছিল।
মণিকারশ্চ যে কেচিৎ কুম্ভকারাশ্চ শোভনাঃ
সূত্র কর্ম্ম-বিশেষজ্ঞ যে চ শস্ত্রোপাজীবিনঃ।
মাযুকা ক্রাকচিকা বেধকা রোচকা স্তথা।
দন্তকারাঃ সুধাকারা যে চ গঙ্গোপ জীবিনঃ॥
সূবর্ণকারা প্রখ্যাতা স্তথা কম্বল কারকাঃ ।
স্নাপকোঞ্চদকা বৈদ্যা ধূপিকা শৌন্ডিকা স্তথা।
রজকা স্তুন্নবায়াশ্চ গ্রাম ঘোষমহত্তরা॥ রামায়ন, অযো,৮৩অ।
ভরতের যাইবার পূর্ব্বে, ভূমি প্রদেশজ্ঞ, সূত্রকর্ম্ম বিশারদ, খনক, যন্ত্রক, স্থপতি, যন্ত্রকোবিৎ, মার্গিণ, বৃক্ষতক্ষক প্রভৃতি গমন করিয়া, শিবির সকল সংস্থাপন, রাস্তাঘাট প্রস্তুত করিয়াছিল।
অথ ভূমি প্রদেশজ্ঞাঃ; সুত্রকর্ম্ম বিশারদাঃ।
স্বকর্ম্মাভিরতাঃ শূরাঃ; খনকা যন্ত্রকা স্তথা॥
কর্ম্মান্তিকা স্থপতয়ঃ পুরুষা যন্ত্রকোবিদাঃ।
তথা বার্দ্ধকয়শ্চৈব মার্গিণো বৃক্ষতক্ষকাঃ॥
সুপকারা সুধাকারা বংশচর্ম্মকৃতস্তথা।
সমর্থা যে চ দ্রষ্টারঃ পুরুষশ্চ প্রতস্থিরে। অযো, ৮২ অঃ।
এই সকল শিল্পী ও ব্যবসায়ী যে সমাজে অবস্থান করে, তাহাদিগের সভ্যতা সম্বন্ধে বেশী বলা বাহুল্য। বর্ত্তমানকালে আমরা এরূপ অধঃপতিত হইয়াছি যে, আমাদের স্বদেশী ভাষায় এই সকল ব্যবসায়ীর নাম কথিত হওয়াতে অনেকের মনে সেরূপ সম্মান বুদ্ধি উপস্থিত হয় না। যখন ইঞ্জিনিয়ার, মেক্যানিক ইঞ্জিনিয়ার, ওভারসিয়ার, জুয়েলার, গোল্ডস্মিথ, পার্ফিউমামার, ট্যানার, প্রভৃতি শব্দ প্রযুক্ত হয়, তখনই যেন মনে একটা কেমন কেমন ভাবআসিয়া উপস্থিত হইয়া থাকে।
নমঃশূদ্র সম্প্রদায়: পরিচিতি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
আমাদের দেশের নমঃশূদ্রও কৈবর্ত্তরা, চিরকালই সুপ্রসিদ্ধ নাবিক। খৃষ্টের জন্ম গ্রহণের বহুপূর্ব্ব হইতে, নৌ-চালন বিষয়ে ইহার যথেষ্ট দক্ষতা দেখাইয়াছে। ঋক্ বেদের “নাব সমুদ্রীয়” এবং মনুস্মৃতি, রামায়ণ প্রভৃতি গ্রন্থ হইতে ভূরি ভূরি উদাহরণ উদ্ধৃত করিয়া,অতি প্রাচীনকালে আমাদের সমুদ্রগমনেরও সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথা কহিয়া, পাঠকগণকে ভারাক্রান্ত করিতে ইচ্ছা করি না। পাঠকের বোধ হয় স্মরণ আছে, নিয়ার্কস, বাত্ত্যা প্রপীড়িত হইয়া বর্ত্তমান করাচির কাছে সুবিস্তৃত পোতাশ্রয়ে আশ্রয় গ্রহণ করিয়াছিলেন। ইহার প্রশস্ততা দেখিয়া তিনি তাহাকে “আলেকজান্ডারের পোতাশ্রয়” নাম প্রদান করেন। ইহাতেও আমরা আমাদের পূর্বকালের নৌ-শক্তির কথা অবগত হইয়া থাকি।
ভারতীয় নৌবিদ্যায় নমঃশূদ্রদের অবদান
আলেকজান্ডারের মৃত্যুর অল্পকাল পরে আমাদের ভারতীয় নাবিকগণ, একবার ঝড়ের বেগে জর্ম্মাণীর উপকূলে নিক্ষিপ্ত হইয়াছিলেন। ভারতীয় সাংয়াত্রিকগণ, সে দেশের রাজাকে আমাদের ভারতীয় অপূর্ব পণ্যদ্রব্য উপহার দিয়াছিলেন। যে গ্রন্থে এই ঘটনা লিপিবদ্ধ হইয়াছিল, তাহা নষ্ট হইয়া গিয়াছে। খৃষ্টের প্রায় সমসাময়িক সুপ্রসিদ্ধ রোমক গ্রন্থকার প্লীনি, এ কথা তাঁহার গ্রন্থে লিখিয়া গিয়াছেন। সুতরাং এ বিষয় অবিশ্বাসের কোন কারণ নাই।
এখন কথা হইতেছে যে, যে সময়, বর্ত্তমানকালের নৌ-শক্তিশালী ইয়ুরোপীয়দিগের পূর্ব্বপুরুষগণ, বাস্তবিকই উলঙ্গভাবে বনমধ্যে বিচরণ করিত, কোনরূপে ডোঙ্গা, ভেলা, প্রস্তুত করিয়া নদীর পারে গমনাগমন করিত, তাহাদিগের, ঐতিহাসিক যুগের অতীতকালে, ভারতবাসীরা নানা প্রকার বিপদ সঙ্কুল জলধিজল অতিক্রম করিয়া ইয়ুয়োপের উত্তর সমুদ্রে গমন করিয়াছিলেন, এক কথা কি বর্ত্তমান ভারতবাসী বিশ্বাস করিবেন? দিঙ্মুঢ় ব্যক্তিকে দিকের কথা যথার্থ কহিয়া দিলেও, তাহার যেরূপ সন্দেহ দূর হয় না; সেইরূপ উপরের কথায় যে, আমাদের মুঢ়তা বিদূরিত হইবে বলিয়া বোধ হয়না। অধ্যবসায়ের অবতার সেইসকল ভারতবাসী, কেমন করিয়া জর্ম্মণীর উপকূলে জাহাজ লইয়া গমন করিয়াছিলেন, তাহা এক্ষণে আমাদের কাছে অদ্ভুত বিষয় বলিয়া বিবেচিত হইতে থাকিবে। খুব সম্ভবতঃ তাঁহারা আফ্রিকা প্রদক্ষিণ করিয়া গমন করিয়া থাকিবেন। কেহ কেহ কষ্ট কল্পনা করিতে পারেন যে, চির তুষারাবৃত উত্তর মেরুপ্রদেশ অতিক্রম করিয়া তাঁহারা গমন করিয়াছিলেন!
খৃষ্টজন্মের বহুপূর্ব্বে আমাদের ভারতবাসীরা, প্রসান্ত মহাসাগরের তটবর্ত্তী ভূভাগে গমন করিয়া হিন্দু উপনিবেশ সংস্থাপন, এবং হিন্দু সভ্যতা বিস্তার করিয়া অধ্যবসায়, ক্লেশ সহিষ্ণুতা, এবং নৌ-চালন বিষয়ক পাণ্ডিত্য, যথেষ্টরূপে প্রকাশ করিয়াছেন। কলম্বস, ইয়ুরোপীয়দিগের নিকট, আমেরিকা আবিষ্কার করিয়া ধন্য ধন্য হইয়াছেন। ভারতবাসীরা কিন্তু, তাঁহার বহুশত শতাব্দী পূর্ব্বে আমেরিকা মহাদেশে গমন করিয়াছিলেন। বর্ত্তমানকালেও, তথায় ভারতবাসীর গমনের বহু নিদর্শন, ভগ্নস্তুপ প্রভৃতি হইতে আবিষ্কৃত হইতেছে। রামায়ণের এক স্থানে উক্ত হইয়াছে, “উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণদিকস্থ দ্বীপবাসী এবং সামুদ্রিক বণিকগণ কোটি কোটি রত্ন উপহার প্রদান করুক।যাহারা নানাদেশে গমন করিতেন, সে দেশবাসী বণিকগণ নানাপ্রকার রত্ন আনয়ন করিয়া দেশকে সমৃদ্ধি সম্পন্ন করিবে ইহা কিছু আশ্চর্য্যের বিষয় নহে।
হে সুবর্ণ বণিক, গন্ধবণিক, প্রভূতি বঙ্গীয় বণিকগণ! তোমরা কি এখন সুদ গুনিয়া, অথবা গোলামী করিয়া জীবন অতিবাহিত করিবে। তোমরা এক সময় পৃথিবীর নানাস্থান হইতে, নানাবিধ ধনরত্ন আনয়ন করিয়া স্বদেশকে সমৃদ্ধি সম্পন্ন করিয়াছিলে। তোমরা এক সময় পৃথিবীর নানাস্থানে ভারতীয় সভ্যতার পতাকা উড্ডীন করিয়া, দেশের গৌরব বর্দ্ধন করিয়াছিলে। তোমরা এক সময় অন্যান্য সাধারণ অধ্যবসায় দেখাইয়া জগৎকে স্তম্ভিত করিয়াছিলে। একবার মোহনিদ্রা পরিত্যাগ করিয়া জাগরিত হও। একবার পূর্ব্বের অবস্থা স্মরণ করিয়া বর্তমান অবস্থাকে তুলনা কর। একবার আত্মশক্তি অনুসারে পৌরুষ প্রকাশ কর, দেখিবে অনতিকাল মধ্যেই তোমরা দেশে বাণিজ্য বিষয়ক যুগান্তর আনয়ন করিতে সমর্থ হইবে।
Source:
সত্যচরণ শাস্ত্রী
ভারতে আলেকজান্ডার
১৯০৯ (পৃ. ২৯৫-৩২১)
