গঠনের মুখে নূতন ভারত: বারীন্দ্রকুমার ঘোষ (১৯৩৬)
শ্রীঅরবিন্দের জাতীয় শিক্ষা, দেশবন্ধুর পল্লীসংগঠন, মহাত্মাজীর অর্থনীতিক প্রচেষ্টা ও অস্পৃশ্যতা নিবারণ সবই সমান বর্থতায় পর্য্যবসিত হয়েছে, কারণ এঁরা সকলেই উপেক্ষা করেছিলেন দেশের শাসন শক্তিকে, ব্যবস্থাপক মণ্ডলীকে, legislative ও executive শক্তিকে। তাঁরা গেছিলেন হাওয়ায় রাজপ্রাসাদ গড়তে, ভাবের চোরাবালুর উপর দেশযজ্ঞের ভিত্তি রচনা করতে।
Copy and paste this URL into your WordPress site to embed
Copy and paste this code into your site to embed